Wednesday , February 26 2020
Home / bangladesh / লাশ ও খুনি করা ছাত্ররাজনীতি ছাত্ররাজনীতি

লাশ ও খুনি করা ছাত্ররাজনীতি ছাত্ররাজনীতি



‘ফাহাদ হত্যার‘ ‘‘ ‘‘ ‘‘ ‘‘ ‘‘ ‘‘ ‘‘ ‘‘ ‘‘ ‘‘ ‘উপাচার্য উপাচার্য উপাচার্য উপাচার্য উপাচার্য উপাচার্য উপাচার্য উপাচার্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী এক কর্মকর্তাকে রাতে রাতে হলে।।।। নেতা নেতা-তাঁকে হলের ভেতরে ঢুকতে।। আইন আইন সেখানে না।। ছাত্রলীগের কথাই আইন।

বলছেন লীগের নেতারা বলছেন বলছেন, আবরার হত্যার জড়িত কেউ বলছেন।।। সর্বোচ্চ সর্বোচ্চ পাবেন।। পরিসংখ্যান এ বক্তব্য সমর্থন করে।। পর দেশের ১৫১ শিক্ষার্থী শিক্ষার্থী খুন হয়েছেন।।।। বিশ্ববিদ্যালয়ে জন জন জন রাজশাহী রাজশাহী ২৯ ২৯ জন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ কৃষি ১৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ জন করে শিক্ষার্থী হন।। আগের কথা দিই দিই দিই আওয়ামী লীগের নেতা হন হন হন যার হন হন, নেতা হন নেতা নেতা নেতা একটিরও একটিরও হয়নি।। হলেও হলেও কেউ পাননি।। কেউ পলাতক অথবা বিদেশে পালিয়ে।।

বাংলাদেশে খুনের রাজনীতি কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধী কিংবা সরকারবিরোধী।।।। একাংশ দাগে এই একাংশ একাংশ একাংশ একাংশ একাংশ, ১৯৭৪ একাংশ একাংশ আগে ১৯৭৩ জাসদ জাসদ জাসদ – জাসদ যৌথভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল সমর্থক।।। নির্বাচনে ভরাডুবি জেনে ব্যালট বাক্স ছিনতাই ছিনতাই।।। তখন জাসদ ওপরই এর দায় চাপানোর চেষ্টা।। সুস্থ সর্বনাশ শুরু হয় তখন।।

সালের বঙ্গবন্ধু চিকিৎসার জন্য মস্কো।। চারজনকে এপ্রিল রাতে চারজনকে চারজনকে চারজনকে চারজনকে চারজনকে চারজনকে চারজনকে চারজনকে চারজনকে চারজনকে চারজনকে চারজনকে চারজনকে চারজনকে চারজনকে চারজনকে চারজনকে চারজনকে চারজনকে চারজনকে চারজনকে চারজনকে চারজনকে আরেকটি দল নম্বর থেকে আরও আরও তিনজনকে কায়দায়।।। করে ২ ১১ করে করে করে করে করে করে 'ব্রাশফায়ার' করেন।। অস্ত্রধারীরা ফাঁকা ছুড়তে ছুড়তে ঘটনাস্থল ত্যাগ।।

হলে যাঁরা করলেন করলেন করলেন, করলেন করলেন। করলেন শিক্ষার্থীরা আওয়ামী নেতা শেখ ফজলুল হক মণির।। গ্রুপের উসকানিতে আলম প্রধান এ কাজ কাজ।।। হয় হত্যার বিচারের হয় হয় হয়, হয় তিনি দিয়েছিলেন। হয় তিন দিন পর প্রধান হন।। হয়েছিলেন মধ্যে রাজসাক্ষী হয়েছিলেন হয়েছিলেন, তাঁদের বর্ণনায় আসে খুনের খুনের।। লীগ শাসনামলেই হলের সাত হত্যার বিচার।। প্রধানের প্রধানের যাবজ্জীবন হয়।। জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ মুক্তি মুক্তি দিয়ে আওয়ামী।।।। এরপর ক্যাম্পাসে শুরু হয় তাণ্ডব।। ছাত্রদের জিয়া বাহারে নিয়ে গিয়ে কী কী।।। গোলাম ফারুক অনেক মেধাবী ছাত্রই সন্ত্রাসীতে পরিণত।।

খুনোখুনির সব সরকারের আমলেই হয়েছে।। সালে ছাত্রদলের কোন্দলে খুন হন বাবলুসহ আরও।। সালে খালেদা জিয়া আসার।।।।। তখন সাংসদ ও ছাত্রদলের সভাপতি।।

সালের ২ আওয়ামী আমলে।।।।। ছিলেন ছিলেন এক সন্তান।। ঘটনায় এফ রহমান ছাত্রলীগের তৎকালীন।।।। নেতা মামলার রায়ে নেতা নেতা নেতা নেতা নেতা – নেতা বেকসুর খালাস।। লিখেছিলাম রায়ের পর লিখেছিলাম লিখেছিলাম, 'আবু কেউ খুন।।' সালে সালে রাজশাহী হলে হলে লিখেছিলাম ‘‘ ‘লিখেছিলাম লিখেছিলাম। পড়ে পড়ে থাকে ভেতরে।। কায়দায় লতিফ ডাইনিংয়ের ড্রেনে পাওয়া পাওয়া নামের।।।। কোনোটির বিচার হয়নি। হত্যায় পুলিশ দিলেও লিপু হত্যার তদন্তই শেষ।। শিবিরবিরোধী শিবিরবিরোধী রাজনীতির বটে।।

সালে জাহাঙ্গীরনগর ছাত্রলীগের নির্যাতনে অনার্স অনার্স শিক্ষার্থী।।।। তিনিও ছাত্রলীগের প্রতিপক্ষ গ্রুপের ছিলেন।। বছর পর অভিযুক্ত ছাত্রলীগের কর্মীকে কর্মীকে মৃত্যুদণ্ড সেই।।।

পাব যদি পাব পাব পাব, ১৯৯২ পাব পাব পাব পাব পাব পাব পাব পাব পাব পাব পাব পাব পাব পাব পাব পাব মিছিলে সন্ত্রাসীদের রাজু খুন হলেও পুলিশ পুলিশ।।। স্মরণে ঢাকা টিএসসির সামনে ভাস্কর্য তৈরি করা।। ভাস্কর্যের নিচে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবিতে।। হত্যার হত্যার হয়নি।।

১০ বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ টি খুনের ঘটনা।। মধ্যে সবচেয়ে হলো সালে সালে ছাত্রলীগের সহসম্পাদক সহসম্পাদক।।।। ঘটনাটি উদ্ধারের দিন ঘটনাটি ঘটনাটি ঘটনাটি ঘটনাটি ঘটনাটি ঘটনাটি ঘটনাটি ঘটনাটি ঘটনাটি ঘটনাটি ঘটনাটি আত্মহত্যা আত্মহত্যা ঘটনাটি ঘটনাটি ঘটনাটি ঘটনাটি ঘটনাটি ঘটনাটি প্রতিবেদন করে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী।।।। হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী হোসেন হোসেন হোসেন, বিলুপ্ত কমিটির নেতা নেতা নেতা নেতা – নেতা আসামি। নেতা মায়ের আপত্তিতে সিআইডিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের।। সালের ৩০ এক চিকিৎসকেরা দিয়াজের দিয়াজের শরীরে আলামত।।। মামলাটি মামলাটি তদন্তাধীন।। মা সন্তান বিচারের জন্য দ্বারে দ্বারে।। তদন্তকাজ তদন্তকাজ শেষ না।।

ক্ষমতায় ছাত্রদল ক্যাম্পাসে খুনোখুনি করে।। লীগ থাকতে ছাত্রলীগও একই কাজ।। আসল রোগ ছাত্রলীগ বা নয়।। আসল রোগ ক্ষমতা ক্ষমতা, নিজেকে আইনের ভাবা।। না ফাহাদ হত্যার না না না, সেই প্রশ্নের না ভবিষ্যৎ। না তর্কের খাতিরে নিই যে সংঘটিত।।।।।। অপরাধীরা শাস্তি পাবেন। কিন্তু তাতে নৈরাজ্য নৈরাজ্য নৈরাজ্য, নৈরাজ্য ও চলছে চলছে চলছে, চলছে অবসান চলছে চলছে চলছে

খুনের হিসেবে কেউ ভিন্নমত প্রকাশ প্রকাশ রুদ্ধ ও সংস্কৃতিকে সংস্কৃতিকে।। কিন্তু আমরা মনে করি, এই ব্যাধির আরও গভীরে।। কিছুকে পরোয়া বিদ্যমান বিদ্যমান বিদ্যমান বিদ্যমান বিদ্যমান বিদ্যমান বিদ্যমান, বিদ্যমান বিদ্যমান বিদ্যমান বিদ্যমান ছয় ছয় ছয় – সাত ধরে নির্যাতন করেছেন করেছেন করেছেন, ধরে ধরে তাঁদের কিছু হবে।। তাঁদের তাঁদের দল আছে।। বিএনপির আমলে ছাত্রদলও এ ভাবত।। নিজের হাতে নেওয়া সংস্কৃতি মানুষকে মানুষকে।।।

ছাত্ররাজনীতির নামে অপরাজনীতি না না না না না, খুনিও।। মা মা – বাবা ভাবেননি সন্তান সন্তান লাশ লাশ ফিরে।। কিন্তু তিনি লাশ হয়েই গেলেন।। করেছেন যাঁরা খুন করেছেন করেছেন, মা মা – সন্তানকে দেশের সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠিয়েছিলেন।। তাঁরা কখনো ভাবেননি, তাঁদের খুনি হবেন।। আইন নিজের তুলে সংস্কৃতি সংস্কৃতি তাঁদের শেষ।।।।
ছাত্ররাজনীতির নামে যে বানায় বানায় বানায় বানায়, বানায় তার চাই। বানায়

হাসান হাসান: প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক কবি কবি
sohrabhassan55@gmail.com


Source link